March 20, 2026, 3:03 pm

সংবাদ শিরোনাম
শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প পীরগাছার শল্লার বিল: ঘর উঠেছে, আস্থা ভেঙেছে

সম্প্রীতির অনন্য নজির বসিরহাটে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের সহযোগিতায় শান্তির বার্তা মেলে সংকীর্তনে

হাসানুজ্জামান কলকাতা:

দেশ তথা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রদায়িক হানাহানিতে বিধ্বস্ত হয়ে রয়েছে গোটা মানব সম্প্রদায়। সর্বত্রই যেন শান্তিকে গ্রাস করেছে অশান্তির আঁচ। ভ্রাতৃত্ব ও মূল্যবোধ ভুলে গিয়ে একাধিক জায়গায় মানুষ আজ ধ্বংসের খেলায় নেমেছে। ভুলেছে শান্তির বার্তা। সেই শান্তির বার্তাকে পুনরায় মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিতে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের সহযোগিতায় বসিরহাটে আয়োজিত হলো সপ্তাহ ব্যাপী হরিনাম সংকীর্তন ও অষ্টপ্রহর ব্যাপী লীলা কীর্তন।

বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট ১নং ব্লকের গোটরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর বাগুন্ডি গোডাউন পাড়ার মাঠে উত্তর বাগুন্ডি ১নং কলোনি ও সমগ্র রাজীব পল্লী বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে বিগত ৩২ বছর ধরে এই সংকীর্তনের আয়োজন করে চলেছেন। সেখানে প্রবেশ করলে দেখা যায় কোথাও স্বামী বিবেকানন্দ, কোথাও চৈতন্য মহাপ্রভু আবার কোথাও শ্রীকৃষ্ণের শান্তির বার্তা দেওয়া রয়েছে। বসিরহাটের সীমান্ত থেকে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে চাঁদা সংগ্রহ করে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষের সহযোগিতায় সপ্তাহব্যাপী এই বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কোনোদিন খিচুড়ি, লাবড়া বা আলুর দম। আবার কোনোদিন ভাত, ডাল ও সব্জিকে প্রসাদ হিসাবে মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সপ্তাহব্যাপী লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয় এই অনুষ্ঠানে।

এই সংকীর্তনের অন্যতম উদ্যোক্তা পরিমল হাউলি বলেন, “সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে আমাদের এই লীলা কীর্তন। আমরা এখান থেকে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষকেই শান্তির বার্তা দিই এবং পৃথিবীকে আগামী দিনের বাসযোগ্য করার প্রয়াস করি।” আয়োজকদের পক্ষ থেকে গৌর পদ গাইন ও ষষ্ঠীবর ঘোষরা বলেন, “আমরা মনে করি যদি কোন মানুষ তার নিজের ধর্মকেই মন থেকে মানে তাহলে শান্তি আসবেই। সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই আমরা এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করি।”

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর